নতুন প্রকাশনা সমূহ:

ভ্রমণ

হোম পাঠক-ফোরাম ভ্রমণ

This topic contains 1 reply, has 2 voices, and was last updated by  jakaria 1 year, 9 months ago.

Viewing 2 posts - 1 through 2 (of 2 total)
  • Author
    Posts
  • #228

    গাড়ি চোর চক্রের সদস্যরা তাদের চুরির কৌশল বদলে ফেলে। এরা এখন সব গাড়ি চুরি করেনা। সুযোগ বুঝে মালিকের গতিবিধির ওপর নজরদারি শেষে চুরির কাজে নেমে পড়ে। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই সংঘবদ্ধ গাড়িচোররা গাড়ি নিয়ে হাওয়া হয়ে যায়।পরে কখনো গাড়ির রং বদলে ইঞ্জিন নম্বর টেম্পারিং করে অন্যত্র বিক্রি করা হয়।

    আবার কখনো শুধু গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রি করে থাকে এরা। এছাড়া গাড়ি চুরির পর ফেরত দেয়ার জন্য মালিকের কাছে মুক্তিপণও দাবি করা হয়। বিভিন্ন সময়ে র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানা গেছে।র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাড়িচোর চক্রের সদস্যরা এখন রীতিমতো গাড়ি চুরির ওপর গবেষণা করছে। এর একটি অংশ হলো গোয়েন্দা নজরদারি চালানো। সিন্ডিকেটের সদস্যরা মার্কেট, শপিংমল, ব্যাংক, বাণিজ্যিক এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেয়। এসব জায়গায় প্রাইভেট কার এসে থামার সঙ্গে সঙ্গেই তারা তৎপর হয়ে ওঠে।গাড়ির চালক বা মালিক কোন দিকে যায় তা গোয়েন্দাদের মতোই অনুসরণ করা হয়। একপর্যায়ে তা মোবাইলে জানিয়ে দেয়া হয় সিন্ডিকেটের অপর সদস্যদের। তারপর তারাই কৌশলে গাড়িটি

    চুরি করে পালিয়ে যায়। ৩০ মিনিট সময় পেলেই সিন্ডিকেটের যে কোনো সদস্য একটি গাড়ি চুরি করতে সক্ষম বলে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন।গাড়ি চুরির অপর একটি কৌশল হচ্ছে, অফিস বা স্কুল-কলেজে যাওয়া আসায় ব্যবহƒত কিছু প্রাইভেট কারের ওপর বেশ কয়েকদিন ধরে নজরদারি চালানো হয়।গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ শেষে চালানো হয় অপারেশন। আবার কখনো কখনো সিন্ডিকেটের সদস্যরা চালকদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে গাড়ি ড্রাইভিং শেখার কথা বলে গাড়ি নিয়ে উধাও হয়ে যায়।গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গাড়ি চুরি এবং চোরাই গাড়ি বিক্রির কৌশল বদলের কারণে গাড়িচোর সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। সিন্ডিকেটের যেসব সদস্য অনেক সময় ধারাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়,

    তারাই আবার নতুন করে সিন্ডিকেট তৈরি করে এ পেশায় প্রসার ঘটায়।

    #244

    jakaria
    Participant

    গাড়ি চোর চক্রের সদস্যরা তাদের চুরির কৌশল বদলে ফেলে। এরা এখন সব গাড়ি চুরি করেনা। সুযোগ বুঝে মালিকের গতিবিধির ওপর নজরদারি শেষে চুরির কাজে নেমে পড়ে। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই সংঘবদ্ধ গাড়িচোররা গাড়ি নিয়ে হাওয়া হয়ে যায়।পরে কখনো গাড়ির রং বদলে ইঞ্জিন নম্বর টেম্পারিং করে অন্যত্র বিক্রি করা হয়। আবার কখনো শুধু গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রি করে থাকে এরা। এছাড়া গাড়ি চুরির পর ফেরত দেয়ার জন্য মালিকের কাছে মুক্তিপণও দাবি করা হয়। বিভিন্ন সময়ে র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানা গেছে।র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাড়িচোর চক্রের সদস্যরা এখন রীতিমতো গাড়ি চুরির ওপর গবেষণা করছে। এর একটি অংশ হলো গোয়েন্দা নজরদারি চালানো। সিন্ডিকেটের সদস্যরা মার্কেট, শপিংমল, ব্যাংক, বাণিজ্যিক এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেয়। এসব জায়গায় প্রাইভেট কার এসে থামার সঙ্গে সঙ্গেই তারা তৎপর হয়ে ওঠে।গাড়ির চালক বা মালিক কোন দিকে যায় তা গোয়েন্দাদের মতোই অনুসরণ করা হয়। একপর্যায়ে তা মোবাইলে জানিয়ে দেয়া হয় সিন্ডিকেটের অপর সদস্যদের। তারপর তারাই কৌশলে গাড়িটি চুরি করে পালিয়ে যায়। ৩০ মিনিট সময় পেলেই সিন্ডিকেটের যে কোনো সদস্য একটি গাড়ি চুরি করতে সক্ষম বলে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন।গাড়ি চুরির অপর একটি কৌশল হচ্ছে, অফিস বা স্কুল-কলেজে যাওয়া আসায় ব্যবহƒত কিছু প্রাইভেট কারের ওপর বেশ কয়েকদিন ধরে নজরদারি চালানো হয়।গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ শেষে চালানো হয় অপারেশন। আবার কখনো কখনো সিন্ডিকেটের সদস্যরা চালকদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে গাড়ি ড্রাইভিং শেখার কথা বলে গাড়ি নিয়ে উধাও হয়ে যায়।গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গাড়ি চুরি এবং চোরাই গাড়ি বিক্রির কৌশল বদলের কারণে গাড়িচোর সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। সিন্ডিকেটের যেসব সদস্য অনেক সময় ধারাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়, তারাই আবার নতুন করে সিন্ডিকেট তৈরি করে এ পেশায় প্রসার ঘটায়।

Viewing 2 posts - 1 through 2 (of 2 total)

You must be logged in to reply to this topic.

sidebar ad space 1

ads1

sidebar ad space 2



আমাদের সাথে থাকুন



13 - 4 =  

sidebar ad space 3



  আমাদের অনুসরণ করুণ

যোগাযোগ করুণ

www.chakabd.com email address: info@chakabd.com chakabd2015@gmail.com 67/D, Yakub South Center,Kalabagan, Dhaka-1205 Phone No. 01711281218

  টুইটার আপডেট

  ফেসবুক আপডেট