নতুন প্রকাশনা সমূহ:

‘টেসলা’-র বিস্ময়কর গিগাফ্যাক্টরি

১৭ নভে, ২০১৬ চাকা বিডি মন্তব্য নাই হোম

মাহমুদ।

tesla

ইলোন মাস্ক ‘টেসলা’কে নিয়ে উচ্চাকাংখী প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন। ২০১৭ সালের মধ্যে মানুষের কাছে আরো গ্রহণযোগ্য ও সাধ্যের মধ্যে স্বচালিত গাড়ি পৌঁছে দেবেন তিনি। ২০২০ সাল নাগাদ প্রতিবছর ১০ লাখ গাড়ি উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি। এর প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে গিগাফ্যাক্টরি বানিয়েছে কম্পানিটি। এক দানব ব্যাটারি প্ল্যান্ট যার অবস্থান নেভাদার ইলেকট্রিক অ্যাভিনিউয়ে।এক নজরে দেখা যাক কি আছে এতে-

১. এটি যতটা এলাকাজুড়ে অবস্থিত তা সেন্ট্রাল পার্কের তিনগুনের সমান।

২. বিশাল এক ফ্যাক্টরি। আর তার আকার দিন দিন বড় হয়েই চলেছে। এর আয়তন ৬০ লাখ বর্গফুট যা ১২৬ একরের সমান। এই জায়গার মধ্যে ১০০টি বোয়িং বিমান এঁটে যেতে পারে।

৩. এটি এতটাই বড় হবে যে পায়ে হেঁটে গোটা পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম কারখানা হতে পারে। কারখানার ভবনই ৬০ লাখ বর্গফুট। সর্বমোট ১ কোটি বর্গফুট পায়ে হাঁটতে হবে।

৪. মাস্ক এবং টেসলার কর্মীবাহিনী এই কারখানাকে ‘এলিয়েন ড্রেডনাট’ বলে ডাকেন।

৫. এই কারখানা তৈরি হচ্ছে ভূমিকম্পপ্রতিরোধী করে। চারটি ভিন্ন ভিন্ন কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে ভবনগুলো গড়ে উঠেছে। এসব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতেই ১৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে।

৬. এই কারখানায় টেসলার পরবর্তী গাড়িগুলোকে সহজলভ্য করা হবে। এই বিশাল কারখানায় গাড়ি উৎপাদনের খরচ অনেক কমিয়ে আনা হবে। অপচয় অনেক কমে আসবে। ২০২০ সালে এখানকার কাজ পুরোদমে শুরু হলে ব্যাটারি দাম ৩০ শতাংশ কমে আসবে।

৭. এই কারখানায় কাঁচামালগুলো আনা-নেওয়া করা হবে রেলগাড়িতে। এগুলো দিয়ে প্রস্তুত হবে ব্যাটারি। গিগাফ্যাক্টরিতে রিসাইকেল ব্যবস্থাকে আধুনিক রাখা হবে। এমন উপায়ে কাজ এগোবে যে পদ্ধতিতে কোনো নির্মাতা ব্যাটারি তৈরি করেনি।

৮. এখানে সবকিছুকেই রিসাইকেল করা হবে। পুরনো ব্যাটারি কিছুই ফেলে দেওয়া হবে না।

৯. পুনঃব্যবহারযোগ্য শক্তির মাধ্যমে কারখানা চালানো হবে। সব কাজের জন্য যত শক্তি প্রয়োজন সবই মিলবে সেখান থেকে। কারখানার ছাদে থাকবে সোলার প্যানেল।

১০. এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক দৃশ্য একই ধরনের রাখা হবে। তাই ফ্যাক্টরির আশপাশে বুনো ঘোড়ার বিচরণ দেখা যেতে পারে। এদের যত্ন নেবে টেসলা।

190036tesla18

১১. এ কারখানায় থাকবে ১৫ লাখ গ্যালোনের পানির ট্যাঙ্ক। এর অনুমতি নিতে কাজ চলছে। অলিম্পিকের সুইমিং পুলে যা পানি থাকে তার দ্বিগুন পরিমাণ মজুদ থাকবে এখানে।

১২. এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি নির্মাণকারী ফ্যাক্টরিতে পরিণত হবে। ইতিমধ্যে টেসলা লিথিয়াম ব্যাটারির সবচেয়ে বড় ক্রেতা। শিগগিরই এই কারখানার মাধ্যমে বৃহত্তম নির্মাণকারীতে পরিণত হতে চলেছে।

১৩. টেসলা এবং তার অংশীদারদের এটি বানাতে বিলিয়ন ডলার খরচ হবে। ২০২০ সালের মধ্যে কারখানার পেছনে ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ করবে টেসলা। সরাসরি বিনিয়োগ হবে ২ বিলিয়ন ডলার।

১৪. এই কারখানায় ব্যাটারি বানানো হবে অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে।

১৫. এই কারখানায় কাজ করবেন ৬ হাজারেরও বেশি কর্মী। ২০২০ সাল থেকে হয়তো সাড়ে ৬ হাজার কর্মী ঘাম ঝরাবেন এখানে।

১৬. বেশ কিছু কাজে ব্যবহৃত হবে রোবট।

১৭. রাসায়নিক পদার্থের নামানুসারে কনফারেন্স রুমের নাম দেওয়া হবে।

১৮. গোটা বিশ্বকে শক্তি জোগাতে ১০০টি গিগাফ্যাক্টরির দরকার হবে। টেসলা অবশ্য সব বানাবে না।

১৯. ২০১৭ সাল থেকে ব্যাটারি তৈরি শুরু করবে টেসলা।

২০. কারখানাটি একটি হীরার মতো হবে দেখতে। অপূর্ব তো বটেই। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

+ 62 = 69

sidebar ad space 1

ads1

sidebar ad space 2



আমাদের সাথে থাকুন



20 + 16 =  

sidebar ad space 3



  আমাদের অনুসরণ করুণ

যোগাযোগ করুণ

www.chakabd.com

email address:
info@chakabd.com
chakabd2015@gmail.com

67/D, Yakub South Center,Kalabagan, Dhaka-1205
Phone No. 01711281218

  টুইটার আপডেট

  ফেসবুক আপডেট